Home » ভালো মাইনষের মুখ মুখোশে অন্তরে মুনাফিকের হিফযখানা

ভালো মাইনষের মুখ মুখোশে অন্তরে মুনাফিকের হিফযখানা

কর্তৃক Md. Sohel Rana
99 ভিউস

ভালো মাইনষের মুখ মুখোশে অন্তরে মুনাফিকের হিফযখানা

-এম. সোহেল রানা, মেহেরপুর।

গ্রীষ্মকাল জৈষ্ঠ্যমাস ভ্যাপসা গরম। গোধূলী লগ্ন  সন্ধ্যা নামু নামু উত্তর গগণে মেঘের ঘোনাঘোটায় মুখ আঁধারি আর ভ্যাপসা গরমে এই যেন মনে হয় তুমুল বেগে ঝড়-বৃষ্টি নামবে। বাড়ির কর্তা বাড়ির সদস্যদেরকে সতর্ক করে বলে,

-এই কে কোথায় আছো সকলে ঘরে উঠে বস, এখনি ঝড়-বৃষ্টি নামতে পারে। কেউ বাড়ির বাইরে   যাবেনা। বাড়ির কর্তার এমন নির্দেশনা শুনে পরিবারে সদস্যগণেরা যথাযথ “যে কথা সেই কাজ” পরিবারের সদস্যরা কর্তার কথা শুনে নিজ নিজ ঘরে চলে গেল। এটা ছিলো সেই সময় বড়দের প্রতি সম্মানবোধ আর পারিবারিক নৈতিক শিক্ষা। বর্তমান সময়ে এমন মুল্যবোধ আর নৈতিক শিক্ষা পরিবারে খুঁজে পাওয়া দূরূহ ব্যাপার। এখন আবার অনেক বাবা মা’য়ে নাম নিতে ন্যাকামো করে বলে-

-আমরা ছেলে-মেয়ের সাথে পারছিনা, কি করবো? মোবাইল ছাড়া ছেলে মেয়ে ভাত খাইনা, স্কুলে যেতে চাইনা। ঘুমায় না।

-সময় মত শিক্ষা না দিলে অসময়ে পারবেনা তো এখন নিজের দোষে ছেলে-মেয়ের পাপের ফল ভোগ করতে থাকো। এমন কথা বলতেই একটা আদর্শ গ্রামের কথা মনে হলো। বলব কি ভাবে সেই গ্রামটার আদর্শচ্যুতি ঘটে।

আদর্শ গ্রামটির অবস্থান এমন ছিলো- “না শহর না গ্রাম” এমন অবস্থানে আছে গ্রাম ও শহরের মাঝখানে “আদর্শিকগাঁও” নামে সকলেই চিনতো জানতো। আদর্শিকগাঁওয়ের স্থানীয় মানুষগুলো ছিলো সৎ চরিত্রের ও আদর্শিক। খুবই সহজ-সরল নম্র-ভদ্র তাদের মধ্যে কোন হিংসা-বিদ্বেষ ঝগড়া-বিবাদ ছিলনা। একে অপরের প্রতি অতি সহনশীল, সদালাপী, সৎ চরিত্রবান, বিবেকবান, জ্ঞান পিপাসু, আচার- আচরণে নৈতিক শিক্ষা দীক্ষায় দীক্ষিত এক কথায় অসাধারণ অতুলনীয়।

কিন্তু, পর্যায়ক্রমে কালের বিবর্তণে বা কালের পরিক্রমায় ঐ গ্রামটা একপর্যায় বিভিন্ন এলাকার বিভিন্ন ধরনের রকমের মতাদর্শের রিফিউজি আর ঘরজামাইদের দখলে আদর্শচ্যুতি ঘোটে হয়ে উঠলো নষ্টামির আতুর ঘর। সন্তানেরা নেট দুনিয়ায় স্মার্ট ফোনের আসক্তিতে ডুবে বেপরোয়া  বাবা-মায়ের কথার বাহিরে উন্মুক্ত বিহঙ্গ, রিফিউজি আর আপন ভিটামাটি বাবা-মাকে ফেলে অন্যের ঘর দখল করা ঘরজামাই আদর্শের বাবা-মায়েরাও হয়ে উঠলো সন্তানদের জন্য আদর্শিক লাইনচ্যুত মিথ্যাবাদি, তাদের ছেলে-মেয়েরাও হারিয়ে পালিয়ে বিয়ে-শাদি করে ফেলছে পক্ষান্তরে বাবা-মায়ে সন্তানের অপকর্ম লুকাতে এক পর্যায় বাধ্য হয়ে মেনে নিয়ে তারাই আবার কি গর্বের সাথে মাইনষের নিকট বলে! -ছেলে বা মেয়ের হঠাৎ করে দেখতে গিয়ে বা দেখতে এসেই বিয়ে-শাদি হয়ে গেছে। মানুষতো দেখেছে উপলব্ধি করেছে সব জানেও। ছেলে সন্তান উচ্চ শিক্ষিত হয়েছে সম্মানজনক চাকুরি করে মোটা অঙ্কের স্যালারি কিন্তু শেষ বয়সে বাবা-মায়ের প্রতি অনিহা অবগ্যা অবহেলা নিজেরা বিলাসিতায় দিন যাপন করে আর বৃদ্ধ বাবা-মার মুখে দু’বেলা দুটো খাবার জুটে না তাহলে সেই সন্তান কি শিক্ষিত হলো? সনদধারী উচ্চ শিক্ষিত কিন্তু সুশিক্ষিত না। মেয়ে শিক্ষিত হয়েছে কলেজে পড়ে কিন্তু কিছু দিনের সম্পর্কে বাবা-মাকে অস্বীকার করে অন্য ছেলের সাথে পলাতক, বাবা-মা বা অভিভাবকের অস্বীকৃতিতে পালিয়ে বিয়ে, দাম্পত্য জীবন জিনাকারি ও বড় ধরনের পাপকার্যে অপকর্মে লিপ্তকারীসম সঙ্গী জীবন বেছে নেয়। তাহলে বাবা-মা এতদিন খাওয়ায়ে পরায়ে তার পিছনে এত কষ্ট করে শিক্ষিত করতে খরচ করে কি শিক্ষিত হলো যার নৈতিক শিক্ষা ও নুন্যতম  মুল্যবোধ অর্জন করে নাই। কি শিক্ষিত হলো? শিক্ষিত কিন্তু সুশিক্ষিত হতে পারে নাই। স্বভাব চরিত্রের কি অবক্ষয় সমাজে এই ধরনের মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে পাপ ও বেহায়াপনাকে স্বীকৃতি প্রদান করে তাদের দ্বারা নতুন প্রযন্ম জন্ম নিলে পরিবার সমাজ তথা জন্মভূমি দেশের প্রতি কি ভালোকিছু বয়ে আনতে পারবে। নিশ্চয় এমন কিছুর আশা করা কারোরই বোধগম্য নয়। নীরবে এই অভয় স্বীকৃতির ফলে ছেলে-মেয়েরা জড়িয়ে গেছে অসামাজিক কার্যক্রমে, মাদক সেবন, মাদকাসক্ত, মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়, জুয়া খেলা, চুরি, ডাকাতি, আদর্শহীন রাজনীতিবিদ ক্যাডার, খারাপদের আশ্রয় প্রশ্রয়দাতা তখনই সমাজিক মজলিসের বিচার কার্য হয়ে গেলে ধ্বজাধারী ধ্বজভঙ্গ। গ্রামের অধিকাংশ মুরব্বি, মণ্ডল, মাতব্বর তাদের ও তাদের ছেলে-মেয়েদের কু-প্রবৃত্তির কারণে সম্মানেরহানী হওয়া সমাজের সমস্ত বিচার কার্য ভেঙ্গে যায়। সামাজিক বিচারকসহ সকল পরিবারের পারিবারিক ভাবে সন্তানদের নৈতিক শিক্ষা ভালো চরিত্র গঠণের সুশিক্ষা না দেওয়া না পাওয়া সেই পরিবার থেকে কেমনে ভালো কিছু আশা করা যায়। এক দিকে সন্তানদের কুকৃত্তি অন্য দিকে ভাই-বোনের সম্পত্তির শরিকানা ফাঁকি দেওয়া, সমাজে বিচারের নামে অবিচার করা, মুখ দেখে বিচার করা, জমিজায়গা জাল করে রেজিস্ট্রেশন করা, সম্পত্তিরজাল কাজের সহায়তা করা স্বাক্ষী থাকা, উপকার করার নামে দালালী খাওয়া, ঘুষ নেওয়া, হারাম পথে মহাজনি ব্যবসার মাধ্যমে সুদের উপরে টাকা প্রদান করে টাকার গরম দেখিয়ে কতশত পরিবারকে সর্বশান্ত করা, মানুষ ঠকিয়ে মিথ্যা ও অসৎ উপায়ে বিভিন্ন পণ্য সামগ্রী ক্রয়-বিক্রয় করে ব্যবসা-বাণিজ্য করা এ ধরণের নীতি হারানো অনৈতিক ব্যক্তিদের বিচার কে মানবে? সামাজিক সম্মানবোধ নষ্ট হওয়ার পিছনে বলা যায় সামাজিক বিচারিক ক্ষমতার অপব্যবহার নীতি নৈতিকতার অবক্ষয়ের কারণে অধিকাংশ মানুষ বলে এটা আমাদেরই নিজ হাতের কামায়। তাই সামাজিক কার্যক্রম ভাঙ্গার পিছনে এ ধরনের অগণিত বহু কারণ আছে। এখন সামাজিক সালিশ চলে গেছে পুলিশ প্রসাশনে ‘থানার সালিশ খানা’ পুলিশ সুপার কার্যালয় ও কোর্টে। সমাজে এখন কেউ কারো কথা মানতে চাইনা টাকার গরমে। সুদ, ঘুষ অথবা অসৎ পথে ব্যবসার মাধ্যমে অর্জিত সম্পদ তৈরি বর্তমানে কেউ দেখেনা কোন পথে অর্জন যার টাকা আছে এ জগতে তার সম্মান আছে। জগৎ চলছে শুধু টাকার খেলা। অসৎ পথে অর্জিত ভক্ষণকৃত দেহের পঁচাগলা খারাপ কেটে বাদ দিলে ভালো বলতে অবশিষ্টাংশ কিছুই থাকবে না! এটা আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানের উপলব্ধি মাত্র। লেখকের বুদ্ধিমত্তা দ্বারা বিচার বিশ্লেষণ করে মনে হয় তিলে তিলে আদর্শ গ্রামটা ঘুনে ধরার পিছনে এটাও একটা বড় কারণ হিসাবে বলা যেতে পারে।

এখন আসি সেই আদর্শচ্যুতি আদর্শ গ্রামের কিছু কথা নিয়ে- এক সময় এলাকার লাজ-লজ্জাহীন ভিটেছাড়া রিফিউজি আর ঘর জামাইয়ের দাপটে আপন জন্মভিটার স্থায়ী বাসীন্দারা কোণঠাসা প্রায়। রিফিউজি, ঘরজামাইদের কারণে গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দাদের সাথে একে অপরের ঝগড়াঝাঁটি, জমিজায়গা সংক্রান্ত মামলা মুকদ্দমা, জমির আইল কাটাকাটি ঝগড়া-বিবাদ লেগেই থাকে। তাদের সাথে রক্তের বা জন্মভুমি, পিতৃভূমির কোন সম্পর্ক নেই। এ জন্য ঘরজামাই রিফিউজিরা স্থানীয় বাসিন্দাদের মুখের উপরে যা-না-তাই ছোট-বড় না ভেবেই বলে দেই আর ভয়-ভীতি দেখিয়ে বলে,

-প্রয়োজনে আমরা এই গ্রামে আর থাকব না। অন্য স্থানে গিয়ে আবার বাসা বাঁধবো। স্থায়ী বাসিন্দাদের শেষ করে দিয়েই চলে যাব।

-কি ক্ষমতাধর কথা! একই গ্রামে বসবাস কিন্তু একে অপরের মধ্যে নেই কোন সৌজন্যবোধ, মায়া-মমতা, স্নেহ-ভালবাসা। গ্রামের কেউ বিপদে পড়লে পাশকেটে দেখতে দেখতে চলে যাওয়া আসেনা সহযোগীতায় হাত বাড়াতে। স্থানীয় ব্যক্তি হইলে প্রাণ বাজি রেখে একে অপরকে দু’হাত বাড়িয়ে বিপদ থেকে উদ্ধার করার পূর্ণ সহযোগিতা করার চেষ্টা করবে একে অপরকে ফেলে আসবেনা। বিভিন্ন এলাকা থেকে উঠে আসা আর ঘর জামাইরা নির্দিধায় প্রকাশ্যে অসৎ উপায়ে সুদের ব্যবসা করে জমিজায়গা কিনতে থাকে জগৎজুড়া প্রতিযোগীতায় টিকে থাকার জন্য। সন্তান বেশি করে নিয়ে লাঠির জোর শক্তিশালী করে। অবস্থানরত গ্রামেই ছেলের বিয়ে মেয়ে বিয়ে দিয়ে ঘর জামাই নিয়ে আত্মীয়ের  দলেভারী করে। গ্রামের রেকর্ডে “তে-কাটি” ঘর জামাই-ও আছে। এমনও নজির আছে ছেলের বিয়ে দিয়ে ছেলের শ্বশুর-শাশুড়িও ঘর বিয়াই হিসাবে এনেছে। বিভিন্ন কলাকৌশলে অসৎ উপায়ে সুদি ব্যবসা করে টাকার গরমে লাভের টাকায় লোক দেখানো হজ্জ করার কথা বলে  কথায় কথায় নিজের ঢোল নিজেই পিটিয়ে বেড়ায় কিন্তু সুদের টাকায় হজ্জে যাওয়া হয়ে উঠেনি (নসু মোড়ল) নরহাজী সুদি মোড়লের। তাই এলাকায় নাম ডাক নসু মোড়ল ওরফে নরহাজী সুদি মোড়ল নামে পরিচিতি লাভ করেছে। বর্তমান সমাজের দিকে তাকালেই মানুষ দেখে মনে হবে এ যেন এক নিরিহ প্রাণী কিছুই বোঝে না। উপরের লেবাস বা চাল-চলন দেখে বুঝবার কোন উপায়ই নেই। ভালো মাইনষের মুখ মুখোশের আড়ালে অন্তরে মুনাফিকের হিফযখানা পোষণ করে চলেছে। মানুষ যে এত নির্ভুল সাজিয়ে গুছিয়ে মিথ্যা কথা বলতে পারে যারা মিথ্যাবাদী মুনাফিক তাদের সাথে না চলাচল করলে দূরে থেকে চেনা-জানা ও বুঝা যাবে না। সত্যের তুলনায় মিথ্যাটাকে এতো হেফয বা আয়ত্ত করেছে। নির্ভুল মিথ্যা বলাটা পেশায় পরিণত করেছে। মিথ্যা বলা এমন একটা কাজ যা একদিন নিজের হাতে অন্যের জন্য খোঁড়া কবরে নিজেই পতিত হতে হবে।

লেখকের এই সমস্ত কথা ভাবতে ভাবতে একটা গল্প মনে পড়ে গেলে এটা তার প্রমাণ গল্পটা হলো- একবার এক রাজা তার তিন মন্ত্রীকে ডেকে বললেন, এই নাও তোমাদের একটা করে খালি বস্তা দিলাম। তোমাদের কাজ হবে বনে গিয়ে বিভিন্ন ফল কুড়িয়ে এই বস্তা ভরে নিয়ে আসবে, দেখি কে কত তাড়াতাড়ি বস্তা পূর্ণ করে নিয়ে আসতে পার। তিন জন চলে গেল জঙ্গলে।

১ম মন্ত্রী চিন্তা করলো, রাজা বলেছেন তাই ভালো ভালো ফল কুড়িয়ে বস্তা পূর্ণ করি এবং সেই মত জঙ্গলের ভালো ফল কুড়িয়ে বস্তা ভরে ফিরে আসল। ২য় মন্ত্রী চিন্তা করলো, রাজা তো সব ফল দেখবেন না তাই হাবিজাবি পঁচা ফল দিয়ে সে নীচের দিকে পূর্ণ করে, উপরের দিকে শুধু কিছু ভালো ফল দিয়ে বস্তা পূর্ণ করলো এবং ফিরে আসল। ৩য় মন্ত্রী চিন্তা করলো, রাজার এত সময় কোথায় বস্তা খুলে খুলে দেখবে, সে শুধু দেখবে বস্তা পূর্ণ হয়েছে কিনা। জঙ্গলে মরা পাতা, ঘাস, কাঠ দিয়ে বস্তা পূর্ণ করে নিয়ে এলো। তিন মন্ত্রী রাজার দরবারে হাজির, রাজা সবার বস্তা পূর্ণ দেখে খুশী হলেন। তিনি বস্তাগুলো খুলেও দেখলেন না। ৩য় মন্ত্রী নিজের বুদ্ধির কথা চিন্তা করে নিজেকে বেশ বুদ্ধিমান মনে করতে লাগলো। রাজা একটু সময় নিয়ে তার মসনদে বসলেন এবং ঘোষণা করলেন, এই তিন মন্ত্রীদের তাদের বস্তাসহ ৭দিনের জন্য কারাগারে পাঠানো হোক এবং প্রত্যেককে তিনটা আলাদা আলাদা কক্ষে রাখা হোক। এই ৭দিন তাদের কোন প্রকার খাবার দেওয়া হবে না। যেই কথা সেই কাজ, তিনজনকেই কারাগারে পাঠানো হলো। ১ম মন্ত্রী এই ৭দিন তার বস্তার ফলগুলো খেয়ে কাটিয়ে দিলেন। দ্বিতীয় মন্ত্রী তার যত ভালো ফল ছিল ২দিন খেতে পারলো, বাকী দিন পঁচা ফল খেয়ে কাটানোর চেষ্টা করলো কিন্তু তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লেন। ৩য় মন্ত্রীর বস্তায় কোন ফল ছিলোনা তাই তিনি না খেতে পেরে কারাগারেই মারা গেলেন।

একমাত্র মানুষই নিজের স্বার্থে সবচেয়ে আপন মানুষটির সাথে বেঈমানী করতে এতটুকু দ্বিধাবোধ করে না। যে পাতে খাবে সেই পাত ফুটো করার লোক অনেক আছে এই সমাজে। তারা আবার সমাজের বুকে জাহেরি করে বলে “আমি মাইনষের উপকার না করলেও ক্ষতি করি না” সুযোগে মাইনষের বিপদে উপকারের নামে যারা দালালীর মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করে। এটা কোন ধরণের উপকার বুঝবো? মানুষ বিপদে পড়লে এমন একজনকে খোঁজে সৎ চরিত্রের বিশ্বাসী ব্যক্তি যে বিপদের সময় উপকার করবে। তার দ্বারা প্রতারিত বা ক্ষতি সাধিত হবে না।  জগতে বিপদগ্রস্থ মানুষটি মহা সাগরে হাবুডুবু খাওয়ার মত বিপদের সময় অসহায়ের ন্যায় বাকরূদ্ধ সে চাই বাঁচতে ও আর্থিক খরচ সাশ্রয়ী কেমনে হবে কিন্তু কারও উপকার গ্রহণ করার ফলে যদি আর্থিক খরচ তুলনামূলক বেড়ে যায় তাহলে উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি হলো। এই সমাজেই যারা গবির অসহায় মানুষদের উপকারের নামে দালালী করে তারা সরকারি কোন এক হাসপাতালে গিয়ে অসহায় গরিব রোগীদের ডাস্টবিন বা পরিত্যাক্ত ভাগাড়ে ফেলে রাখা রোগীদের পরিত্যাক্ত পঁচাগলা খাবার, মল-মূত্র, বোমী খুঁজে খুঁজে খেতে পারে না? বরং গরিব অসহায় মানুষের বিপদগ্রস্থের সুযোগ নিয়ে মিথ্যা কথা বলে প্রতারণা মূলক ভাবে দালালী খাওয়ার চেয়ে ডাস্টবিনের ঐ পঁচাগলা খাবার, মল-মূত্র, বোমীর মত অখাদ্য মশা মাছি কিট পতঙ্গের সাথে ভাগাভাগী করে খাওয়াটাই তার বা তাদের জন্য তুলনামূক অতি উত্তম। এই ধরনের দালালশ্রেণির লোকদের উপকার নেয়ার নামে তিলে তিলে শেষ হওয়ার চাইতে মৃত্যুটাই শ্রেয়।

রচনাকাল- ১৬মে-২০২৫খ্রি./ মেহেরপুর।

মেহেরপুর কাথুলী রোড walton শোরুমে, ওয়ালটনের সকল পণ্য সুলভ মূল্যে বিক্রয় করা হয়। ওয়ালটন ফ্রিজ, ফ্যান, রাইস কুকার, প্রেসার কুকার, সহ অনেক পণ্য পাওয়া যাচ্ছে। যোগাযোগের ঠিকানা, মেহেরপুর কাথুলি রোড, মোবাইল নাম্বার ০১৪০৩২৫৭৭৭০- ০১৩০৫৪২৪৬২০

০ মন্তব্য
0

রিলেটেড পোস্ট

মতামত দিন