Home » ছড়াকার- চিত্তরঞ্জন সাহা চিতু’র একগুচ্ছ ছড়া

ছড়াকার- চিত্তরঞ্জন সাহা চিতু’র একগুচ্ছ ছড়া

কর্তৃক Md. Sohel Rana
456 ভিউস
  • “মেহেরপুর চিত্র”র  সাপ্তাহিক শুক্রবারের  সাহিত্য পাতা-
  • চিত্তরঞ্জন সাহা চিতু’র একগুচ্ছ ছড়া-

(এক)
যার জন্য
-চিত্তরঞ্জন সাহা চিতু

যার জন্য একটি পতাকা
যার জন্য ভাষা,
যার জন্য এই বাঙালীর
জুড়ায় মনের আশা।

যার জন্য তারার মেলা
চন্দ্র সূর্যের আলো ,
যার জন্য ভাবতে হৃদয়ে
বড্ড লাগে ভালো।

যার জন্য যুদ্ধ হলো
স্বাধীন হলো দেশ,
যার জন্য পাক সেনারা
নয় মাসে হলো শেষ।

যার জন্য আকাশ বাতাস
আজও স্বাক্ষি আছে,
যার জন্য নীল কালো লাল
ফুল ফোটে গাছে গাছে।

যার জন্য সব কিছু পাওয়া
আমরা যে তার ভক্ত,
সেই নেতাটি বঙ্গবন্ধু
দিয়ে গেল শেষ রক্ত।

(দুই)
-মুজিব মানে

মুজিব মানে লাল সবুজের
মানচিত্র গড়া
বুকের মাঝে শক্তি সাহস
আন্দোলনের ছড়া।

মুজিব মানে বীরের জাতি
মুক্তিসেনার দল,
একাত্তরে যুদ্ধে পাগল
দুরন্ত চঞ্চল।

মুজিব মানে পিচঢালা পথ
রক্তে ভেজা লাল,
ডিসেম্বরে বিজয় নিশান
সমুদ্র উত্তাল।

মুজিব মানে তুমি ও আমি
বাংলা ভাষাভাষি
শ্রদ্ধাভরে তাই নেতাকে
আমরা ভালোবাসি।

(তিন)
-একটি মুজিব

একটি মুজিব একটি পতাকা
লাল সবুজে গড়া,
মনের আবেগে শত ছড়াকার
লেখে তারা কত ছড়া।

একটি মুজিব জাতীয় সংগীত
দেশকে ভালোবাসি,
ছোট্র শিশুর আধো আধো মুখে
মিষ্টি ঠোটের হাসি।

একটি মুজিব একাত্তরে
মুক্তিসেনার লড়াই,
বুকের মাঝে শক্তি সাহস
তাইতো করি বড়াই।

একটি মুজিব ডিসেম্বরে
স্বাধীনতা আনে ফিরে,
রক্তে রক্তে সমুদ্র ঢেউ
হৃদয়ে আছে ঘিরে।

একটি মুজিব খুন হয়ে যায়। পচাত্তরের সালে,
বুকের মাঝে থাকবে অমর
যুগে যুগে কালে কালে।

(চার)
-স্বাধীনতার ডাক

স্বাধীনতার ডাক বলো কে দিলো
ইতিহাসে কার নাম,
বজ্রকন্ঠ ভেসে আসে কানে
“এবারের সংগ্রাম”

পাক পশুরা ক্ষেপে যায় তারা
গ্রেফতার করে তাকে,
কোটি জনতা রাজপথে নামে
৭ই মার্চের ডাকে।

নেতাকে বাঁচাও অস্ত্র ধরো
বাঁচাও সোনার দেশ,
শকুনের দল তাড়াতেই হবে
করতেই হবে শেষ।

হায়েনারা তাই আরো ক্ষেপে যায়
নেতাকে দেবে ফাঁসি
ভয় নেই তবু তাঁর ওই বুকে
মুখে ছিল তাঁর হাসি।

মুক্তিসেনারা প্রতিশোধ নেয়
যুদ্ধ হলো শেষে,
পাক সেনারা হল পরাজয়
শান্তি আসলে দেশে।

স্বাধীন দেশে ফিরে এলো নেতা
মুজিবুর রহমান,
লাল সবুজের ঐ পতাকায়
তুমি আজও অম্লান।

(পাঁচ)
-বঙ্গন্ধুর জন্ম দিনে

গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়ায়
জন্ম হলো যার,
কাঁপিয়ে দিলো একাত্তরে
নেই তুলনা তার।

স্বপ্ন ছিলো দু’চোখ জুড়ে
করবে স্বাধীন দেশ,
এই বাঙালী বলবে কথা
আসবে পরিবেশ।

স্বপ্ন যে আজ সত্যি হলো
যুদ্ধ হলো দেশে,
পাক পশুরা বুঝলো ঠেলা
হার মেনেছে শেষে।

আজকের এই জন্মদিনে
তাইতো স্মরণ করি,
রক্তে কেনা সোনার এদেশ
এসো এবার গড়ি।

(ছয়)
-নয় মাসে স্বাধীনতা

মার্চে শুরু হয়
ডিসেম্বরে শেষ,
যুদ্ধে বাঙালীদের
মনোবল বেশ।

মার্চে সেই সাতে
দিলো মহা ডাক,
যুদ্ধের আগুনটা
ছড়িয়েই যাক।

ডাক শুনে বাঙালীরা
জাগে ঘরে ঘরে,
প্রতিশোধ প্রতিরোধ
দুর্গটা গড়ে।

অস্ত্রটা হাতে হাতে
শ্লোগান মুখে,
মানে নাতো ভয় ভীতি
সাহসটা বুকে।

হার মানে দস্যুরা
হয় নাজেহাল
সেই দিন সারাদেশে
হয় উত্তাল।

লাল ঐ সবুজের
পতাকাটা ওড়ে,
বিজয়টা আসলো
তাই ঘরে ঘরে।

(সাত)
-বিজয় আমার

বিজয় আমার রক্তে গড়া ছড়া,
শীত সকালের মায়ের হাতের
তালের মিষ্টি বড়া।

বিজয় আমার উদাস ফুলের ঘ্রান,
রক্তে ভেজা স্বাধীন স্বদেশ
লক্ষ তাজা প্রান।

বিজয় আমার বাংলা মুখের ভাষা,
হৃদয় জুড়ে সুখ দুঃখের
গভীর ভালবাসা।

বিজয় আমার রাখাল ছেলের বাশি,
আকাশ জুড়ে লুকোচুরি
লক্ষ তারার রাশি।

বিজয় আমার লাল সবুজের
বাংলাদেশের ছবি,
পুত্র হারা দামাল ছেলের
রক্ত রাঙা রবি।

-বড় বাজার, চুয়াডাঙ্গা, বাংলাদেশ

মেহেরপুর কাথুলী রোড walton শোরুমে, ওয়ালটনের সকল পণ্য সুলভ মূল্যে বিক্রয় করা হয়। ওয়ালটন ফ্রিজ, ফ্যান, রাইস কুকার, প্রেসার কুকার, সহ অনেক পণ্য পাওয়া যাচ্ছে। যোগাযোগের ঠিকানা, মেহেরপুর কাথুলি রোড, মোবাইল নাম্বার ০১৪০৩২৫৭৭৭০- ০১৩০৫৪২৪৬২০

০ মন্তব্য
0

রিলেটেড পোস্ট

মতামত দিন